সুস্থ থাকার জন্য ঢাকার সেরা কার্ডিওলজিস্ট (Best Cardiologist in Dhaka) বা অভিজ্ঞ একজন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ খুঁজে বের করা এখন অত্যন্ত জরুরি। আমাদের দ্রুতগতির জীবনধারা, খাদ্যাভ্যাস এবং ক্রমবর্ধমান দূষণের কারণে হৃদরোগের ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে। আপনি যদি নিয়মিত রুটিন চেকআপ বা হার্টের কোনো জটিল সমস্যার জন্য ঢাকার সেরা হার্টের ডাক্তার খুঁজছেন, তবে এই নির্দেশিকাটি আপনাকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে। বাংলাদেশে উন্নত কার্ডিয়াক কেয়ার এবং অভিজ্ঞ হার্ট স্পেশালিস্টদের উপস্থিতিতে এখন ঢাকাতেই বিশ্বমানের চিকিৎসা সম্ভব।
২০০+ রিভিউ
নিচে আপনার নম্বরটি দিন।
ফিচারড পার্টনার:
ডা. অর্ণব কুমার চৌধুরী ঢাকার একজন প্রখ্যাত মেডিসিন এবং হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ। বর্তমানে তিনি ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজেস (NICVD)-এ কনসালটেন্ট হিসেবে কর্মরত আছেন। এক দশকেরও বেশি সময়ের ক্লিনিকাল অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই চিকিৎসকের বিশেষ দক্ষতা রয়েছে ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজি, উচ্চ রক্তচাপ ব্যবস্থাপনা এবং জটিল মেডিসিন কেসগুলোতে।
অ্যাল্যায়েন্স হসপিটাল লিমিটেড-এ আপনার হার্টের সুস্থতা আমাদের অগ্রাধিকার। অভিজ্ঞ কার্ডিওলজিস্টদের অধীনে আমরা উন্নত হৃদরোগের চিকিৎসা ও ব্যক্তিগত যত্ন নিশ্চিত করি।”
কনসালটেন্ট, মেডিসিন ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ।
শিক্ষাগত যোগ্যতা:
বিশেষজ্ঞতা (Expertise)
জেনারেল মেডিসিন, দীর্ঘস্থায়ী রোগ নির্ণয়, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ (Hypertension), হার্ট অ্যাটাক এবং রক্তসঞ্চালনজনিত সমস্যা।
অ্যালায়েন্স হাসপাতাল লিমিটেড, ২৪/৩ খিলজি রোড (রিং রোড), মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭।
প্রতিদিন বিকাল ৪:০০ টা থেকে সন্ধ্যা
৭:০০ টা (শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন বন্ধ)।
+8801720422448










আমরা সঠিক রোগ নির্ণয়, আন্তরিক সেবা এবং উন্নত চিকিৎসা দক্ষতার সমন্বয়ে বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অভিজ্ঞ মেডিসিন ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ অর্ণব কুমার চৌধুরী-এর নেতৃত্বে আমাদের এই সেন্টারটি জটিল ইন্টারনাল মেডিসিন এবং হৃদরোগের (Cardiovascular Health) আধুনিক ও পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসায় বিশেষভাবে নিয়োজিত।
অনেক সময় হৃদরোগের লক্ষণ শুরুতে বোঝা যায় না। তবে নিচের সমস্যাগুলো দেখা দিলে দেরি না করে একজন অভিজ্ঞ হার্ট স্পেশালিস্ট বা কার্ডিওলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত:
বুকে ব্যথা বা চাপ (Chest Pain): বুকের মাঝখানে ভারী লাগা, চাপ অনুভব করা বা জ্বালাপোড়া হওয়া (যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে এনজাইনা বলা হয়)।
অতিরিক্ত শ্বাসকষ্ট (Shortness of Breath): সামান্য হাঁটাচলা করলে, সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময় বা এমনকি বিশ্রামের সময়ও দম নিতে কষ্ট হওয়া।
বুক ধড়ফড় করা (Heart Palpitations): হুটহাট হৃদস্পন্দন স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যাওয়া বা বুক ধড়ফড়ানি অনুভব করা।
মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া: হৃদস্পন্দনের ছন্দপতন (Arrhythmia) বা রক্তচাপ হঠাৎ কমে গেলে এমনটি হতে পারে।
পা বা গোড়ালি ফুলে যাওয়া (Edema): হার্ট যদি শরীর থেকে রক্ত ঠিকমতো পাম্প করতে না পারে, তবে পা বা গোড়ালি ফুলে যেতে পারে।
অতিরিক্ত ক্লান্তি: সামান্য পরিশ্রমে খুব বেশি ক্লান্ত হয়ে পড়া হার্টের সমস্যার অন্যতম লক্ষণ হতে পারে।
ঢাকায় অনেক দক্ষ কার্ডিওলজিস্ট রয়েছেন। সেরা বিশেষজ্ঞ নির্বাচন নির্ভর করে আপনার নির্দিষ্ট সমস্যা এবং ডাক্তারের অভিজ্ঞতার ওপর। তবে অধ্যাপক ডাঃ বরেণ চক্রবর্তী এবং ডাঃ শামস মনোয়ারের মতো চিকিৎসকরা অত্যন্ত পরিচিত।
না, এটি গ্যাস্ট্রিক বা ফুসফুসের সমস্যার কারণেও হতে পারে। তবে আপনার কখনোই নিজে নিজে রোগ নির্ণয় করা উচিত নয়। নিশ্চিত হওয়ার একমাত্র উপায় হলো ঢাকার একজন সেরা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া।
বেসরকারি হাসপাতালে ফি ১,০০০ থেকে ২,৫০০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে। সরকারি হাসপাতাল যেমন এনআইসিভিডি (NICVD)-তে এই খরচ অনেক কম।
একজন কার্ডিওলজিস্ট ওষুধের মাধ্যমে বা নন-সার্জিক্যাল পদ্ধতিতে (যেমন রিং পরানো) হৃদরোগের চিকিৎসা করেন। আর একজন কার্ডিয়াক সার্জন ওপেন হার্ট সার্জারি যেমন বাইপাস বা ভালভ প্রতিস্থাপনের কাজ করেন।
গুরুতর বুকে ব্যথা সাধারণত এমন মনে হয়:
তীব্র চাপ বা বুকের ওপর ‘হাতি বসে আছে’ এমন অনুভূতি।
ব্যথা চোয়াল, ঘাড়, পিঠ বা বাম হাতে ছড়িয়ে পড়া।
সাথে শ্বাসকষ্ট, ঠান্ডা ঘাম বা বমি বমি ভাব থাকা।
ব্যথা কয়েক মিনিটের বেশি স্থায়ী হওয়া বা পরিশ্রম করলে বেড়ে যাওয়া।
সাধারণ লক্ষণগুলো হলো:
বুকে ব্যথা বা চাপ (ভারী ভাব, মোচড়ানো)।
ব্যথা বাম হাত, চোয়াল, ঘাড় বা পিঠে ছড়িয়ে পড়া।
শ্বাসকষ্ট হওয়া।
ঠান্ডা ঘাম, বমি বমি ভাব বা মাথা ঝিমঝিম করা।
হঠাৎ ক্লান্তি বা বদহজমের মতো অনুভূতি। (এই লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত জরুরি বিভাগে যোগাযোগ করুন)
ঝুঁকি কমাতে:
স্বাস্থ্যকর খাবার খান (ফলমূল, শাকসবজি)।
নিয়মিত ব্যায়াম করুন (সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট)।
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
ধূমপান ত্যাগ করুন।
রক্তচাপ, কোলেস্টেরল এবং সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
এটি একটি ‘নীরব ঘাতক’, তবে গুরুতর ক্ষেত্রে দেখা দিতে পারে:
১. তীব্র মাথাব্যথা, ২. বুকে ব্যথা, ৩. ঝাপসা দৃষ্টি, ৪. শ্বাসকষ্ট, ৫. নাক দিয়ে রক্ত পড়া, ৬. ক্লান্তি, ৭. বিভ্রান্তি, ৮. ঘাড়ে বা কানে দপদপ করা, ৯. অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, ১০. মাথা ঘোরা।
তরুণদের হার্ট অ্যাটাক বাড়ার কারণগুলো হলো: অস্বাস্থ্যকর জীবনধারা (খারাপ খাবার, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব), ধূমপান বা মাদক গ্রহণ, এবং উচ্চ রক্তচাপ বা বংশগত কারণ।
হ্যাঁ, সঠিক চিকিৎসা ও সচেতনতার মাধ্যমে করোনারি হার্ট ডিজিজ নিয়ে অনেক মানুষ দীর্ঘ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন।
যখন মস্তিষ্কে সচেতনতা বজায় রাখার ক্ষমতা ব্যাহত হয়। কারণগুলো হতে পারে: মাথায় আঘাত, অক্সিজেনের অভাব (দম বন্ধ হওয়া বা কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট), খিঁচুনি বা স্ট্রোক, রক্তে সুগার কমে যাওয়া বা ডিহাইড্রেশন।
এটি ‘জোনস ক্রাইটেরিয়া’ (Jones Criteria) ব্যবহার করে নির্ণয় করা হয়। এর জন্য গ্রুপ-এ স্ট্রেপ ইনফেকশনের প্রমাণের পাশাপাশি দুটি বড় লক্ষণ (যেমন- হার্টে প্রদাহ, জয়েন্টে ব্যথা) অথবা একটি বড় ও দুটি ছোট লক্ষণ (যেমন- জ্বর, ইএসআর বেশি হওয়া) থাকতে হয়।
যখন হার্টের পেশিতে পর্যাপ্ত অক্সিজেনযুক্ত রক্ত পৌঁছায় না, তখন বুকে যে অস্বস্তি বা ব্যথা হয় তাকে এনজাইনা বলে। এটি হার্টের সমস্যার একটি প্রাথমিক লক্ষণ।
হার্টের ইলেকট্রিক্যাল অ্যাক্টিভিটি বা হৃদস্পন্দনের ছন্দ দেখার জন্য ইসিজি করা হয়। এর মাধ্যমে হার্ট অ্যাটাক বা অনিয়মিত স্পন্দন শনাক্ত করা যায়।
নিয়মিত চেকআপের মাধ্যমে হার্টের অবস্থার কোনো পরিবর্তন হচ্ছে কি না তা বোঝা যায় এবং বড় ধরনের ঝুঁকি বা হার্ট অ্যাটাক আসার আগেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়।
আপনি যখন আপনার বা আপনার প্রিয়জনের জন্য ঢাকার সেরা হার্টের ডাক্তার খুঁজছেন, তখন নিচের বিষয়গুলো অবশ্যই যাচাই করে নেওয়া উচিত:
একজন বিশেষজ্ঞ কার্ডিওলজিস্টের অবশ্যই স্বীকৃত এবং উচ্চতর ডিগ্রি থাকা প্রয়োজন। ডাক্তার নির্বাচনের সময় নিচের ডিগ্রিগুলো খেয়াল করুন:
MD (Cardiology): কার্ডিওলজিতে ডক্টর অব মেডিসিন।
FCPS (Cardiology): বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস থেকে প্রাপ্ত ফেলোশিপ।
আন্তর্জাতিক ফেলোশিপ (International Fellowships): বিদেশের নামকরা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত ডিগ্রি যেমন: FACC (আমেরিকান কলেজ অব কার্ডিওলজি) অথবা FESC (ইউরোপীয় সোসাইটি অব কার্ডিওলজি)।
আপনার সমস্যার ধরন অনুযায়ী সঠিক হার্ট স্পেশালিস্ট বেছে নিন। কারণ সব হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ সব ধরনের চিকিৎসা করেন না:
ক্লিনিক্যাল কার্ডিওলজিস্ট (Clinical Cardiologist): যারা মূলত রোগ নির্ণয়, ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা এবং হৃদরোগ প্রতিরোধের পরামর্শ দেন।
ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট (Interventional Cardiologist): আপনার যদি এনজিওপ্লাস্টি বা হার্টে রিং পরানোর (Stenting) প্রয়োজন হয়, তবে এই বিশেষজ্ঞরা সেরা।
ইলেক্ট্রোফিজিওলজিস্ট (Electrophysiologist): যাদের হৃদস্পন্দনের সমস্যা (Arrhythmia) আছে বা যাদের পেসমেকার (Pacemaker) বসানো প্রয়োজন।
একজন দক্ষ ডাক্তারও সঠিক সরঞ্জাম ছাড়া পূর্ণাঙ্গ সেবা দিতে পারেন না। তাই দেখুন আপনার নির্বাচিত বিশেষজ্ঞ যে হাসপাতালে প্র্যাকটিস করছেন সেখানে আধুনিক “ক্যাথ ল্যাব” (Cath Lab) এবং জরুরি সময়ের জন্য “সিসিইউ” (CCU – Coronary Care Unit) সুবিধা আছে কিনা।
বাংলাদেশে অনেক রোগীই হার্টের ডাক্তার (Cardiologist) এবং বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ (Pulmonologist/Chest Specialist) এর মধ্যে পার্থক্য করতে গিয়ে বিভ্রান্ত হন। আপনার সঠিক বিশেষজ্ঞ নির্বাচন করতে নিচের তথ্যগুলো সাহায্য করবে:
হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ বা কার্ডিওলজিস্ট (Cardiologist): তারা মূলত হৃৎপিণ্ড এবং রক্তনালী (Cardiovascular System) নিয়ে কাজ করেন। আপনি যদি হার্ট অ্যাটাক, হার্টের ভালভ সমস্যা, হার্ট ফেইলিউর বা উচ্চ রক্তচাপের (High BP) সমস্যায় ভোগেন, তবে একজন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ দেখান।
বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ বা চেস্ট স্পেশালিস্ট (Pulmonologist): তারা ফুসফুস এবং শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা নিয়ে কাজ করেন। আপনার যদি হাঁপানি (Asthma), সিওপিডি (COPD), যক্ষ্মা (TB) বা ফুসফুসে ইনফেকশন থাকে, তবে একজন বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ বা পালমোনোলজিস্টের কাছে যাওয়া উচিত।
জরুরি সতর্কতা (Red Alert): > আপনার যদি বুকে ব্যথা (Chest Pain) হয়, তবে সেটি হার্ট বা ফুসফুস—যেকোনোটির কারণেই হতে পারে। তবে ব্যথার সাথে যদি বুকে প্রচণ্ড চাপ অনুভব করেন, ব্যথা বাম হাত বা চোয়ালে ছড়িয়ে পড়ে অথবা সামান্য পরিশ্রম করলে ব্যথা বাড়ে, তবে দেরি না করে অবিলম্বে একজন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ (Best Cardiologist) দেখান। এটি হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ হতে পারে।
আপনি যদি উন্নত প্রযুক্তির চিকিৎসা কিংবা সাশ্রয়ী মূল্যে হৃদরোগের চিকিৎসা খুঁজছেন, তবে ঢাকার নিচের হাসপাতালগুলো বিশ্বস্ততার সাথে সেবা দিয়ে আসছে:
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজেস (NICVD): এটি বাংলাদেশের প্রধান সরকারি হার্ট হাসপাতাল। এখানে অত্যন্ত সাশ্রয়ী মূল্যে এবং অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে হার্টের সব ধরণের জটিল অপারেশন ও চিকিৎসা করা হয়।
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন (National Heart Foundation): মিরপুরে অবস্থিত এই প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে হার্ট সার্জারি এবং প্রতিরোধমূলক কার্ডিওলজির অন্যতম পথিকৃৎ। মধ্যবিত্তদের জন্য কম খরচে হার্টের চিকিৎসা পাওয়ার এটি একটি সেরা জায়গা।
এভারকেয়ার হাসপাতাল ঢাকা (Evercare Hospital): আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন চিকিৎসা নিশ্চিত করতে এই হাসপাতালের রয়েছে JCI স্বীকৃতি। উন্নত কার্ডিয়াক সার্জারি এবং আধুনিক ক্যাথ ল্যাব সুবিধার জন্য এটি বিশেষভাবে পরিচিত।
ইউনাইটেড হাসপাতাল (United Hospital): জটিল বাইপাস সার্জারি (CABG) এবং ইন্টারভেনশনাল প্রসিডিউরের জন্য এটি ঢাকার অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি হাসপাতাল। এখানে অভিজ্ঞ হার্ট সার্জনদের একটি বড় প্যানেল রয়েছে।
ল্যাবএইড কার্ডিয়াক হাসপাতাল (Labaid Cardiac Hospital): বিশেষায়িত হার্ট কেয়ার এবং দেশের অনেক নামী হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের চেম্বার থাকার কারণে রোগীদের কাছে এটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। এদের ডায়াগনস্টিক সুবিধা অত্যন্ত আধুনিক।
গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৮০% হৃদরোগ বা হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি শুধুমাত্র জীবনযাত্রার সঠিক পরিবর্তনের মাধ্যমেই প্রতিরোধ করা সম্ভব। হার্টের সুস্থতায় নিচের বিষয়গুলো মেনে চলা জরুরি:
১. রক্তচাপ ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ (Control High BP): আপনার রক্তচাপ ১২০/৮০ mmHg-এর নিচে রাখার চেষ্টা করুন। বাংলাদেশে উচ্চ রক্তচাপ (Hypertension) একটি ‘নীরব ঘাতক’ হিসেবে পরিচিত। নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করুন এবং প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
২. হার্ট-ফ্রেন্ডলি ডায়েট অনুসরণ: ঢাকার বাইরের রিচ ফুড বা অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার (যেমন: বিরিয়ানি, তেহারি বা ডুবো তেলে ভাজা স্ন্যাকস) এড়িয়ে চলুন। রান্নায় অতিরিক্ত লবণ ব্যবহার বন্ধ করুন। হার্টের জন্য উপকারী রাইস ব্রান অয়েল বা অলিভ অয়েলের মতো তেল ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।
৩. নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম ও ব্যায়াম: হার্টকে সচল রাখতে প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটার অভ্যাস করুন। এটি আপনার হৃদস্পন্দন ঠিক রাখতে এবং মেদ কমাতে সাহায্য করবে।
৪. ধূমপান ও তামাক বর্জন: ধূমপান এবং তামাকজাত দ্রব্য গ্রহণ হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ২-৪ গুণ বাড়িয়ে দেয়। সুস্থ থাকতে আজই ধূমপান ত্যাগ করার সংকল্প করুন।
৫. নিয়মিত হার্ট চেকআপ ও স্ক্রিনিং: আপনার বয়স ৪০ বছরের বেশি হলে বছরে অন্তত একবার লিপিড প্রোফাইল (Lipid Profile) বা কোলেস্টেরল পরীক্ষা এবং ব্লাড সুগার পরীক্ষা করান। আগেভাগে রোগ ধরা পড়লে চিকিৎসা সহজ হয়।
আপনার সুবিধার্থে ঢাকার বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে হৃদরোগের সাধারণ কিছু পরীক্ষা ও চিকিৎসার একটি আনুমানিক খরচের তালিকা নিচে দেওয়া হলো। তবে মনে রাখবেন, হাসপাতাল ও সুযোগ-সুবিধার ওপর ভিত্তি করে এই খরচ কম-বেশি হতে পারে।:
| পরীক্ষা বা চিকিৎসার নাম | কেন করা হয় (উদ্দেশ্য) | আনুমানিক খরচ (টাকা) |
| হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের ভিজিট ফি | অভিজ্ঞ কার্ডিওলোজিস্টের পরামর্শ | ১,০০০ – ২,৫০০ |
| ইকোকার্ডিওগ্রাম (Echo) | হার্টের গঠন ও কার্যক্ষমতা পরীক্ষা | ২,৫০০ – ৫,০০০ |
| হার্টের এনজিওগ্রাম (Angiogram) | রক্তনালীতে ব্লকেজ শনাক্ত করা | ১৮,০০০ – ৩০,০০০ |
| এনজিওপ্লাস্টি বা হার্টে রিং পরানো (PCI) | ব্লকেজ সারিয়ে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক করা | ৮০,০০০ – ১,৫০,০০০* |
| পেসমেকার বসানো (Single Chamber) | হার্টের স্বাভাবিক স্পন্দন বজায় রাখা | ৭০,০০০ – ১,২০,০০০* |
| হার্ট বাইপাস সার্জারি (CABG) | হৃদযন্ত্রে রক্ত চলাচলের নতুন পথ তৈরি | ৩,৫০,০০০ – ৬,৫০,০০০ |
| ইটিটি (ETT Test) | ব্যায়ামের সময় হার্টের অবস্থা দেখা | ৩,০০০ – ৫,০০০ |
*দ্রষ্টব্য: ব্যবহৃত রিং (Stent) বা পেসমেকার ডিভাইসের ব্র্যান্ড ও প্রকারভেদে এই খরচের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হতে পারে।